গলাচিপায় গভীর রাতে শীতার্তদের গায়ে কম্বল জড়িয়ে দিলেন ইউএনও | আপন নিউজ

বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ন

প্রধান সংবাদ
কলাপাড়ায় ভাড়া বাসায় দুর্ধ’র্ষ চু’রি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লু’ট ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে কলাপাড়ায় অভিভাবক সমাবেশ তালতলীতে গণভোটের পোস্টার ছিড়ে ফেলার অভিযোগ হাজারো মানুষের অশ্রুসিক্ত নয়নে চির বিদায় নিলেন মহিপুরের মন্নান হাওলাদার পায়রা বন্দর স্টিভেডরিং হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক পরিচিতি সভা আমতলীতে ছয় শতাধিক মসজিদে এক লাখ ২০ হাজার মানুষের মাঝে গণভোটের প্রচারনা আমতলীতে এতিমদের মাঝে কম্বল বিতরন সুষ্ঠু ভোট হলে সরকার গঠনে বিএনপিই এগিয়ে থাকবে: এবিএম মোশাররফ হোসেন গলাচিপায় নামাজ আদায় করে বাইসাইকেল উপহার পেল ২৮ শিশু ক্ষুদ্র জেলে সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির ১২তম বার্ষিক সভা
গলাচিপায় গভীর রাতে শীতার্তদের গায়ে কম্বল জড়িয়ে দিলেন ইউএনও

গলাচিপায় গভীর রাতে শীতার্তদের গায়ে কম্বল জড়িয়ে দিলেন ইউএনও

সঞ্জিব দাস, গলাচিপাঃ সারা দেশের ন্যায় পটুয়াখালীর গলাচিপায়ও শীত যেন সাধারণ মানুষকে চেপে ধরেছে। শীতের অনুভতি হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে গরিব খেটে খাওয়া অসহায় দরিদ্র মানুষ। কনকনে শীতে যখন মানুষের জীবন যাত্রা স্থবির হয়ে পড়েছে ঠিক তখন রাতের আঁধারে গলাচিপা উপজেলায় হত দরিদ্র অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছেন গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমান।

শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) গভীর রাতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সুবিধাবঞ্চিত প্রায় ১০০ জন অসহায় ব্যক্তিদের গায়ে কম্বল জড়িয়ে দেন তিনি। সরেজমিনে দেখা যায়, কনকনে শীতে চরম বিপাকে পড়ছেন ছিন্নমূল খেটে খাওয়া অসহায়, গরিব-দুঃখী শীতার্ত মানুষ। শিশু এবং বৃদ্ধদের জন্য শীত একটু বেশিই মনে হচ্ছে। শীত মনে হচ্ছে তাদের হাড়ের ভিতরেও গিয়া আঘাত করছে। গরিব-দুঃখী শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে পৌরসভার সাগরদী রোড ওয়াপদায়, খেয়াঘাট, লঞ্চঘাট, আবাসন প্রকল্প ও এতিমখানা-লিল্লাহ বোর্ডিং এ শীতার্ত মানুষদের মাঝে গভীর রাতেও কম্বল নিয়ে হাজির হয়েছেন ইউএনও মিজানুর রহমান। কনকনে শীতের মধ্যে হঠাৎ যখন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমানের হাতে শীতবস্ত্র দেখে দুঃস্থ, অসহায় ব্যক্তিরা আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন। কম্বল পেয়ে পৌরসভার সাগরদী রোড ওয়াপদা এলাকার বাসিন্দা ভাপা পিঠা বিক্রেতা ফরিদা বেগম (৫৫) বলেন, আগে পুরাতন কাঁথা গায়ে মুড়িয়ে থাকতাম ঠান্ডায় ঘুম আসতো না। ইউএনও স্যারের কম্বল পেয়ে অনেক খুশি হয়েছি। শীতে এখন রাতে ঘুমাতে আগের মত কষ্ট হবে না। লঞ্চঘাট এলাকার পারুল বেগম (৪৫) বলেন, দুই দিন ধরে রোদের দেখা পাচ্ছি না। ঠান্ডায় শরীর জমে যাওয়ার মত অবস্থা হয়েছে। ইউএনও স্যার কম্বল দিছেন এখন ঠান্ডা একটু কম লাগবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমান বলেন, প্রচন্ড শীতে নিম্ন বিত্ত মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। এই শীতে কোনো দুঃস্থ পরিবার যেন কষ্ট না পায়, সেজন্য তাদের পাশে শীতবস্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়েছি। এভাবেই শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অব্যাহত থাকবে।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!